রিপোর্টার্স ২৪ডেস্ক: নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) সভাপতি এ কে আজাদ বলেছেন,“সংবাদপত্রের স্বাধীনতা টিকিয়ে রাখলে শুধু সাংবাদিকরাই নয়, ভবিষ্যতের সরকারও এর সুফল পাবে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি সত্যিকার অর্থে গণমাধ্যমকে সহযোগিতা করে, তবেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে।”
বুধবার(২৯ অক্টোবর) ‘বাংলাদেশের গণমাধ্যমে সংস্কার: সুপারিশ, বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে এ কে আজাদ এসব কথা বলেন।
সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নোয়াব-এর এই বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর নির্বাহী সম্পাদক সাজ্জাদ শরিফ।
শেষে এ কে আজাদ বলেন,দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় রাজনৈতিক দলগুলোকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে হবে। আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে গণমাধ্যম কমিশন গঠন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার বিষয়টি রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনী ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
নোয়াব সভাপতি বলেন, নির্বাচনী ইশতেহারে থাকা উচিত এমন একটি ধারা, যাতে সরকার গণমাধ্যমের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করবে, সত্য প্রতিবেদন স্বীকার ও সংশোধন করবে, আর ভুল তথ্যও জানাবে।
তিনি সতর্ক করেন, ক্ষমতায় বসার পরে দেশের অর্থনীতি ও আইনশৃঙ্খলা ঠিক করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলেও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে কম অগ্রাধিকার না দেওয়ার গুরুত্ব অপরিসীম।
এ কে আজাদ বলেন, “দেশের ভালো শিক্ষার্থী এখন আর সাংবাদিকতায় আসতে চায় না। সাংবাদিকদের আর্থিক ও সামাজিক নিরাপত্তা দুর্বল। অসুস্থ হলে ভালো চিকিৎসা পাওয়া যায় না, পরিবারে খরচও জটিল। সংবাদপত্রের খরচ ও বিক্রয় মূল্যের পার্থক্য, হকার কমিশন এবং সরকারি বিজ্ঞাপনের বিল না পেয়ে পত্রিকাগুলো টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।”
তিনি আরও বলেন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের সময় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নেই। জেলা পর্যায়ের সাংবাদিকদের ওপর হামলা, হুমকি এবং জেল-হুলিয়া এখনও চলমান।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি