| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

ঝিনাইদহে কমতে শুরু করেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ২৯, ২০২৫ ইং | ০৮:৩৮:১৬:পূর্বাহ্ন  |  ৯৭১৭৯৩ বার পঠিত
ঝিনাইদহে কমতে শুরু করেছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা
ছবির ক্যাপশন: ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রচার-প্রচারণা, মশক নিধন কার্যক্রম ও সঠিক চিকিৎসার কারণে ঝিনাইদহে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।

বিগত বছরের তুলনায় চলতি বছরে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ কমেছে। এ জেলায় ২০২৫ সালে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে। ভর্তি রোগীর সংখ্যাও জেলার ছয়টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কমেছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে, ২০২১ সালে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পারমথুরাপুর গ্রামে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসি খাতুন (৩৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়।

২০২৩ সালে জেলার শৈলকুপা উপজেলায় মানিক হোসেন (৪৫) ও কোর্টচাঁদপুর উপজেলায় একজন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী মারা যান। ২০২৪ সালে কালীগঞ্জে রুপচান দাস (৩২) নামের একজন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়।

সর্বশেষ ২০২৫ সালে জেলার হরিণাকুন্ডু উপজেলায় তৌকির আহমেদ (২২) নামের এক ডেঙ্গু রোগী কুষ্টিয়ায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। তাই ঝিনাইদহে তাঁর কোন রেকর্ড নেই, যার কারণে ডেঙ্গু রোগে মৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।

ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন অফিসের তথ্যানুযায়ী, ২০২৩ সালে জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৪,৯৩২ জন। ২০২৪ সালে তা কমে দাঁড়ায় ১,১৩১ জনে। ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত জেলায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৭৫ জনে। এভাবেই ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কমে এসেছে।

ঝিনাইদহ সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান জানান, নিয়মিত জনসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রচার-প্রচারণা, পৌর কর্তৃপক্ষকে তাগাদা দিয়ে মশক নিধন কার্যক্রম চালু রাখা ও সঠিক চিকিৎসা সেবার কারণে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা অনেক কমেছে। মৃত্যুর হার শূন্যের কোটায় নেমে এসেছে।

তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গু রোগ থেকে বাঁচতে দিনে ও রাতে মশারি ব্যবহার করতে হবে, ঘরে-বাইরে ফুলের টবে পানি জমতে দেওয়া যাবে না, ড্রেন বা নালা পরিস্কার রাখতে হবে এবং নদী-নালায় জমে থাকা কচুড়িপানা পরিস্কার রাখতে হবে। মশার কামড় প্রতিরোধে সচেতন থাকা জরুরি।”

ডেঙ্গুবাহী এডিস মশা বর্তমানে নোংড়া এবং পরিস্কার পানিতেও ডিম দেয়। দিনে-রাতে যে কোনো সময়ে কামড় দিতে পারে। তাই জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ব্যানার, ফেস্টুন ও মাইকিংসহ বিভিন্নভাবে প্রচারণা চালাচ্ছে সিভিল সার্জন অফিস।

ডা. কামরুজ্জামান আরও জানান, “সাধারণত ডেঙ্গু দুই ধরনের হয়ে থাকে। ডেঙ্গু মানেই জীবনের ঝুঁকি নয়। ডেঙ্গু হলে আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বাড়িতে বা হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়া যেতে পারে। তবে শীতকালে ডেঙ্গুর প্রকোপ কম থাকে।”

রিপোর্টার্স২৪/আয়েশা

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪