রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির চেয়ারম্যান মোমিন মেহেদী বলেছেন, একাত্তরের পরবর্তী বা চব্বিশের পরবর্তী সময়ে তাদের কর্মকাণ্ড প্রমাণ করেছে যে, জামায়াত দেশে শান্তি চায়নি কখনো। যদি দেশে শান্তি চাইতো তাহলে একের পর জোটের নামে মানুষকে বিভ্রান্ত করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করতো না।
২৬ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় ৩৩ তোপখানা রোডস্থ বিজয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘আসন্ন নির্বাচন নাকি প্রহসন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, নির্মম হলেও সত্য যে, জামায়াত-শিবির একাত্তরের পথেই হাঁটছে। তারা রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের জন্য নিজেদের দলীয় ও সমমনা নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীকে হত্যার নীলনকশা বাস্তবায়ন করছে। একের পর এক যত সন্ত্রাস-নৈরাজ্য-চাঁদাবাজি-দলবাজির ঘটনা সামনে এসেছে, কোনো না কোনোভাবে তাদের ইন্ধনের প্রমাণ চলে আসছে। তারা গণমাধ্যমের ওপর সবচেয়ে বেশি নাখোশ, যে কারণে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবৈধ উপায়ে ক্ষমতায় আসা শিবির নেতারা এখন গণমাধ্যমের ভবন জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে দেওয়ার প্রকাশ্য ঘোষণা দিচ্ছে। এদেরকে প্রতিহত করতে প্রকৃত দেশপ্রেমিকদেরকে আরও সংগঠিত হতে হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম মেম্বার বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান শান্তা ফারজানা, যুগ্ম মহাসচিব ওয়াজেদ রানা, সদস্য শাহিনা খান, অরবিন্দ দেবনাথ প্রমুখ।
এসময় নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবি ১২ বছর ধরে রাজপথে থেকেছে ছাত্র-যুব-জনতার কল্যাণকে কেন্দ্র করে। ২০১২ সালের ৩০ ডিসেম্বর র্যালির মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশের পর থেকে ক্রমশ সারাদেশে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে এগিয়ে চলছে নতুনধারা। পরপর ৩ বার নিবন্ধনের সকল শর্ত পূরণ করে আবেদন করেও নিবন্ধন না পাওয়ায় মোটেই চিন্তিত নন নতুনধারার নেতৃবৃন্দ। দেশকে ভালোবেসে সাহসের রাজনীতি করবে বাংলাদেশের মানুষকে সাথে নিয়ে এই নতুনধারা। তারা অতীতের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে ছিল, এখনো আছে, আগামীতেও থাকবে। কখনো ১টা আসনের জন্য বড় বোয়ালের পেটে যাওয়ার রাজনৈতিক পথে হাঁটবে না নতুনধারা বাংলাদেশ এনডিবির কোনো নেতা। আজ অনেকে বলেন, আগে এমপি হই, পরে সততার রাজনীতি করবো। কিন্তু ইতিহাস বলে— মেনন, ইনু, দিলীপ বড়ুয়ারা পারেনি ছোট দলের বড় নেতা হয়েও জনগণের কল্যাণ করতে, এরাও পারবে না।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন