| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

হরমুজ প্রণালিতে চাপ বাড়ালেন ট্রাম্প ও ইসরায়েল

reporter
  • আপডেট টাইম: এপ্রিল ০৫, ২০২৬ ইং | ০৩:৫৬:৩২:পূর্বাহ্ন  |  ৬৭২৫৫ বার পঠিত
হরমুজ প্রণালিতে চাপ বাড়ালেন ট্রাম্প ও ইসরায়েল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েল শনিবার ইরানের ওপর নতুন করে চাপ বাড়িয়েছে। হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে বলা হয়েছে তেহরানকে, না হলে দেশটির জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলার মুখে পড়তে হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে যুদ্ধক্ষেত্রে নিখোঁজ এক মার্কিন সেনাকে খুঁজে বের করতে তৎপরতা চলছে।

ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, এর আগে ইরানকে ১০ দিনের মধ্যে সমঝোতায় আসা বা হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় শেষের পথে। তিনি লিখেছেন, আরও ৪৮ ঘণ্টা সময় আছে, এরপর ইরানের ওপর ভয়াবহ পরিণতি নেমে আসতে পারে।

যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ট্রাম্প কখনো কূটনৈতিক অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন, আবার কখনো ইরানকে কঠোর সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছেন। সর্বশেষ আলটিমেটামের পর এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানান, ইসরায়েল ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছে। ওই হামলা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই হতে পারে বলে তিনি জানান।

যুদ্ধের ষষ্ঠ সপ্তাহে এসে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এখনো পর্যন্ত এক মার্কিন সেনা সদস্যের খোঁজ মেলেনি। পাশাপাশি শান্তি আলোচনার সম্ভাবনাও ক্ষীণ বলে মনে করা হচ্ছে। জনমত জরিপেও এই যুদ্ধের পক্ষে খুব বেশি সমর্থন নেই।

অন্যদিকে ইরান এখনো অনড় অবস্থানে রয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার পথ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়নি। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই অবৈধ যুদ্ধের স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাপ্তির শর্ত কী হবে, সেটিই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

যুদ্ধ ইতোমধ্যে হাজারো মানুষের প্রাণ নিয়েছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিয়েছে, যেখানে দিয়ে সাধারণত বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরল প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হয়।

ইরান এরই মধ্যে ইসরায়েলে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রঘনিষ্ঠ উপসাগরীয় দেশগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে, যদিও সেসব দেশ এখনো সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি। ইরানি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, প্রতিশোধ হিসেবে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে যুক্তরাষ্ট্রের রাডার স্থাপনা, একটি মার্কিন-সম্পৃক্ত অ্যালুমিনিয়াম কারখানা এবং কুয়েতে মার্কিন সামরিক সদর দপ্তরে ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

এর আগে হরমুজ প্রণালিতে ইসরায়েল-সম্পৃক্ত একটি জাহাজে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায় বলে ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি                                                                                                                   সূত্র: রয়টার্স

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪