আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সকে পাঠানোর পেছনে কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে, ইরানও আলোচনায় ভান্সের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জোরালো অবস্থান নেয়।
শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছান ভান্স। সূত্র বলছে, তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছিল,ভান্স না থাকলে তারা এই বৈঠকে অংশ নেবে না।
মার্কিন কূটনৈতিক মহলের মতে, ভান্সকে দায়িত্ব দেওয়ার পেছনে ট্রাম্পের রাজনৈতিক হিসাব রয়েছে। ইরানের দৃষ্টিতে ভান্স ট্রাম্প প্রশাসনের এমন একজন ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি, যিনি তুলনামূলকভাবে যুদ্ধবিরোধী এবং কূটনৈতিক সমাধানের প্রতি আগ্রহী। ফলে আলোচনায় অগ্রগতি আনার ক্ষেত্রে তাঁকে “গ্রহণযোগ্য মুখ” হিসেবে বিবেচনা করছে তেহরান।
এই বৈঠকে ভান্সের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি এবং পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাগের গালিবাফের আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। ইরান থেকে প্রায় ৭০ সদস্যের প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে অংশ নিচ্ছে।
ওয়াশিংটন থেকে রওনা হওয়ার আগে ভান্স বৈঠক নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করলেও সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি “কৌশলী খেলা” খেলতে চায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর অবস্থান নেবে।
বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭৯ সালের ইসলামিক বিপ্লবের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এটি হতে যাচ্ছে সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের সরাসরি বৈঠক। ফলে এ আলোচনায় ভান্সের ভূমিকা তাঁর রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের বড় পরীক্ষা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
তারা মনে করছেন, এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সফল হলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভান্সের গুরুত্ব আরও বাড়বে। সূ:আ বা
রিপোর্টার্স২৪/এসসি