| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

উজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ০৮, ২০২৬ ইং | ১৭:২৬:৪৪:অপরাহ্ন  |  ১৪৮ বার পঠিত
উজিরপুর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

কুমিল্লা প্রতিনিধি: ‎কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ২ নম্বর উজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাইয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ, অনিয়ম এবং অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগ তুলেছেন ইউনিয়ন পরিষদের ১০ জন সদস্য। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তারা।
‎অভিযোগকারী সদস্যদের দাবি, চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকেই আব্দুল হাই ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়মের মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করছেন। তাদের অভিযোগ, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯ অনুযায়ী নিয়মিত সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত কোনো সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। ফলে উন্নয়ন প্রকল্প, বাজেট, সরকারি বরাদ্দ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সদস্যদের মতামত দেওয়ার সুযোগ হয়নি।
‎লিখিত অভিযোগে বলা হয়, সাধারণ সভার অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ ব্যয় ও উত্তোলন করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের আয়-ব্যয়ের হিসাব সদস্যদের কাছে উপস্থাপন করা হয় না এবং আর্থিক তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কমিশন গ্রহণ, জোরপূর্বক চেকে স্বাক্ষর করিয়ে টাকা উত্তোলন এবং প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করেই অর্থ ছাড়ের অভিযোগও আনা হয়েছে।
‎ইউপি সদস্যদের আরও অভিযোগ, ত্রাণসামগ্রী ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্বাচনসহ বিভিন্ন কার্যক্রমে তাদের মতামত উপেক্ষা করা হচ্ছে। এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুললে গালিগালাজ, হুমকি-ধামকি ও অসৌজন্যমূলক আচরণের শিকার হতে হয়।
‎অভিযোগকারী সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য আমেনা বেগম, হাছিনা বেগম ও নুরুন্নাহার বেগমসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্য নূরে আলম মজুমদার, মামুনুর রশিদ, সিরাজুল ইসলাম, আব্দুল লতিফ, সোহেল মিয়া ও আবদুর রহমান রহিম।

‎অভিযোগের বিষয়ে প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল হাই বলেন, তারা কেন অভিযোগ দিয়েছে, সেটি তারাই বলতে পারবে। আমি এক টাকাও আত্মসাৎ করিনি। প্রকল্পের কাজ পরিচালনার ক্ষেত্রে কিছু অফিস ব্যয় রয়েছে, সেখান থেকেই খরচ নেওয়া হয়েছে।
‎চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহাদাত হোসেন বলেন, আমরা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
‎এদিকে ইউনিয়ন পরিষদের ১০ সদস্য প্যানেল চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

রিপোর্টার্স/এসএন

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪