| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

কালাইয়ে স্কুল কমিটি নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষ, প্রার্থীসহ আহত ৯

reporter
  • আপডেট টাইম: জুন ০৮, ২০২৬ ইং | ১৯:০০:০১:অপরাহ্ন  |  ১৪৪ বার পঠিত
কালাইয়ে স্কুল কমিটি নির্বাচন ঘিরে সংঘর্ষ, প্রার্থীসহ আহত ৯

কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি: কালাইয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক প্রার্থীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হয়েছেন। 

সোমবার (৮ জুন) বেলা আড়াইটার দিকে জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণ চলাকালে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফলও ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আহতরা হলেন প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম, তার সমর্থক শেখ হাবিবুর রহমান, মিথুন মণ্ডল, ইউসুফ আলী এবং অপর প্যানেলের সাদিক হোসেন, মুনছুর রহমান, জুয়েল রানা, রশিদুল ইসলাম ও রানা মিয়া।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জিন্দারপুর ইউনিয়নের করিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি গঠনের জন্য চারজন অভিভাবক সদস্য নির্বাচনের লক্ষ্যে এ ভোটের আয়োজন করা হয়। নির্বাচনে আনিছুর রহমান ও শেখ শাহাঙ্গীর আলমের নেতৃত্বে দুটি প্যানেলে মোট ৮ জন এবং একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সকাল ৯টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়, ভোটার সংখ্যা ছিল ৩৪০ জন।

ভোট চলাকালে দুপুর আড়াইটার দিকে লাইনে থাকা এক ভোটারকে কেন্দ্র করে দুই প্যানেলের সমর্থকদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে দুই পক্ষের অন্তত ৯ জন আহত হন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

প্রত্যক্ষদর্শী ছাইদুর রহমান বলেন, দুই প্যানেলের লোকজনই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তার দাবি, ঘটনাটি আকস্মিক নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিত হতে পারে।

আহত প্রার্থী শেখ শাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ প্যানেলের লোকজন পরাজয়ের আশঙ্কায় আগে থেকেই তার সমর্থকদের হুমকি দিয়ে আসছিল। পরে বহিরাগত লোকজন এনে হামলা চালানো হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন এবং মামলা করার ঘোষণা দেন।

অন্যদিকে প্রতিপক্ষ প্রার্থী আনিছুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তার পক্ষের লোকজনও বেশি আহত হয়েছেন। ঘটনার পর তারা চিকিৎসা নিয়ে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, বাইরে মারামারি হলেও ভোট গ্রহণ বন্ধ হয়নি। ভোট শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, এখনো কোনো পক্ষ থেকে মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিম আরা বলেন, সংঘর্ষের খবর পাওয়ার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ভোট গ্রহণ শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। অভিযোগ পেলে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

রিপোর্টার্স২৪/ মিতু

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪