ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আড়াই শতাধিকের বেশি মানুষ। এর ফলে গাজা উপত্যকায় নিহতের মোট সংখ্যা ৫৩ হাজার ৬৫৫ ছাড়িয়ে গেছে।
আল ওজাইরি সায়েন্টিফিক সেন্টার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইসলামিক চন্দ্র পঞ্জিকার শেষ মাস জিলহজের শুরু চিহ্নিতকারী চাঁদ ২৭ মে ভোরে (যা ২৯ জিলকদের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে) উদিত হবে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) সদস্য রাষ্ট্রগুলো একটি নতুন আন্তর্জাতিক চুক্তির পক্ষে শক্তিশালী সমর্থন জানিয়েছে। ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করতে তারা এ সমর্থন জানায়। তবে তাতে ভোটদানে বিরত ছিল ইতালি, ইসরায়েল, রাশিয়া এবং ইরানসহ ১১টি দেশ।
টানা তিনমাসের ইসরায়েলি অবরোধের পর অবশেষে গাজায় প্রবেশ করেছে ত্রানসামগ্রী বহনকারী ৫টি ট্রাক
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে। ‘অভূতপূর্ব আক্রমণ’ শুরুর আগে দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিস শহরে ফিলিস্তিনিদের পালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পর মধ্যরাত থেকে ইসরায়েলি বাহিনী গাজায় বোমাবর্ষণ করে ৩৮ জনকে হত্যা করে। এদিকে হামলার জেরে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা প্রায় ৫৩ হাজার ৫০০ জনে পৌঁছেছে।
নেতানিয়াহু এক ভিডিওবার্তায় বলেন, লড়াই তীব্র হচ্ছে এবং আমরা অগ্রসর হচ্ছি। আমরা গাজা উপত্যকার পুরো অঞ্চলই নিয়ন্ত্রণে নেব।
স্থানীয় কর্মকর্তা তিউ জুয়ান তাইয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে সরকারের ওয়েবসাইটে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘পাহাড়ের চূড়া থেকে বিস্ফোরণের মতো বিকট আওয়াজ শোনা যাওয়ার পর পাহাড় থেকে মাটি, পাথর ও জল নেমে আসে।
এর আগে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে উপত্যকাটিকে পূর্ণ অবরোধ আরোপ করে রাখে তেল আবিব। সেসময় কোন ধরনের আন্তর্জাতিক ত্রাণ ও মানবিক সহায়তা গাজায় প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।
অবরোধ, আক্রমণ আর আলোচনার দোলাচলে উত্তপ্ত গাজা। উপত্যকাটির উত্তরাঞ্চলের পর এবার দক্ষিণেও প্রবেশ করতে শুরু করেছে ইসরাইলি সেনারা। রোববার (১৮ মে) দিনভর অভিযান চালিয়ে উপত্যকাটিতে ১৫১ জন জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটেছিল লুফথানসার একটি এয়ারবাস এ৩২১ বিমানে। গত বৃহস্পতিবার তদন্তকারী দল চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করলে বিষয়টি সামনে আসে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে জার্মানি থেকে স্পেনের উদ্দেশে যাত্রাকালীন একটি যাত্রীবাহী বিমান প্রায় ১০ মিনিট ধরে কোনো পাইলট ছাড়াই উড়েছিল। বিমানে তখন ২০০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন।