কুষ্টিয়া প্রিতিনিধি: আধ্যাত্মিক গুরু ও বাউল সম্রাট ফকির লালন শাহের ১৩৫তম তিরোধান দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ার ছেঁউড়িয়ায় শুরু হয়েছে জাতীয় লালন স্মরণ উৎসব। গতকাল (১৭ ই অক্টোবর) থেকে শুরু হয়ে তিন দিন ব্যাপী চলবে সাধু ভক্ত অনুসারীদের ভাব জগতের আরাধনা, সাঁইজির সঙ্গ পাওয়া। দেশ ও দেশের বাইরে থেকে এসেছেন সাধু ভক্তরা।
এদিকে লালন মেলাকে কেন্দ্র করে কুষ্টিয়া শহরে বেড়েছে যানবাহনের চাপ।সকাল থেকে যানবাহনের চাপ কম থাকলেও দুপুরের পরে শহরের অলি-গলিতে বাড়তে থাকে গাড়ির চাপ।শহরের মজমপুর গেট থেকে এন এস রোডে প্রবেশের কোন জায়গা থাকে না।চৌড়হাস থেকে মীর মোশারফ সেতু পর্যন্ত রাস্তার দুধারে গাড়ি পার্ক করার কারণে প্রচণ্ড যানজট তৈরি হয।ব্যক্তিগত উদ্দ্যোগে গাড়ি পার্কিং-এর ব্যবস্থা থাকলেও প্রয়োজনের তুলনায় কম।
রাজশাহী থেকে মেলায় ঘুরতে আসা রবিউল জানান,আমার মজমপুর থেকে মেলার মাঠ পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার পথ আসতে এক ঘণ্টা সময় লেগেছে তারপরও ভালো লাগছে মেলায় আসতে পেরে।পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন,অতিরিক্ত দর্শনাথীদের চাপ যার কারণে ঘুরতে সমস্যা হচ্ছে,আশেপাশে শুধু প্রসাব ও গাঁজার গন্ধে শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছে।
শুক্রবার ও শনিবার ছুটি থাকার কারণে এবার মেলায় গত কয়েক বছরের তুলনায় ভীড় বেশি।এদিকে মেলায় লোকসমাগম বেশি হলেও ক্রেতা কম বললেন ভাড়া নেওয়া ষ্টল মালিকরা।মেলার কসমেটিক ব্যবসায়ী দুলাল জানান, যে পরিমাণ ষ্টল ভাড়া তাতে করে লাভ করে পোষানো সম্ভব না গুনতে হতে পারে লোকসান।
এদিকে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে মেলায় যেন কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সে জন্য বিশেষ তৎপর রয়েছে প্রশাসন। লালন তিরোধান দিবসের মেলা চলবে ১৮ ও ১৯ শে অক্টোবর পর্যন্ত।সন্ধ্যায় আলোচনা সভা শেষে একি মঞ্চে চলবে রাতভর লালন গীতি।
রিপোর্টার্স২৪/এসসি