রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: গাজায় মানবিক সহায়তার প্রবেশ ঠেকাচ্ছে ইসরায়েল। এমন গুরুতর অভিযোগ তুলেছে জাতিসংঘ। সংস্থাটির দাবি, ১০ অক্টোবরের যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ত্রাণ পাঠানোর ১০৭টি আবেদন বাতিল করেছে।
এসব আবেদন ছিল গাজাবাসীর শীতকালীন প্রয়োজন মেটাতে কম্বল, শীতের পোশাক, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি পাঠানোর উদ্দেশ্যে। কিন্তু ইসরায়েলের অনুমতি না মেলায় এসব সহায়তা এখনো গাজার বাইরে আটকে আছে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে তুর্কি সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড। জাতিসংঘের মুখপাত্র ফারহান হক বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন,আমাদের অংশীদার সংস্থাগুলোর তথ্যমতে, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েল ১০৭টি ত্রাণ পাঠানোর আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। এসবের মধ্যে পানি, স্যানিটেশন ও স্বাস্থ্যসেবার সরঞ্জামও অন্তর্ভুক্ত।
তিনি জানান, প্রত্যাখ্যাত আবেদনগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশই এসেছে ৩৩০টিরও বেশি স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থার পক্ষ থেকে।ইসরায়েল দাবি করছে, এই সংস্থাগুলোর গাজায় প্রবেশের অনুমতি নেই। এই অজুহাতে আবেদনগুলো বাতিল করা হয়েছে।
জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয় দপ্তর (ওসিএইচএ)–এর তথ্য উদ্ধৃত করে ফারহান হক আরও বলেন,ইসরায়েলি সেনারা এখনো মোতায়েন থাকা এলাকাগুলো— বিশেষ করে পূর্ব খান ইউনিস, পূর্ব গাজা সিটি ও রাফাহে। প্রতিদিনই আবাসিক ভবনে বিস্ফোরণ ঘটাচ্ছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’সংলগ্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রয়েছে, এতে হতাহতের পাশাপাশি ত্রাণকর্মীদের জীবনও ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
জাতিসংঘ মুখপাত্রের মতে, ইসরায়েলি সেনাদের দায়িত্ব হলো সামরিক অভিযানে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম