রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়কে পুরোপুরি জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন বলে দাবি করেছেন বিএনপির সহ–আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, বিচার শুরু হওয়ার আগেই যদি শর্ত আরোপ করা হয়, তাহলে সেই বিচার নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে। বিচারকে নির্দিষ্ট সময় বা শর্তের মধ্যে আটকে ফেলার প্রবণতা কখনোই ভালো পরিণতি বয়ে আনে না।
তার মতে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া রায়ে সাধারণ মানুষের আকাঙ্ক্ষা প্রতিফলিত হয়েছে। এটি দেশের মানুষের বহুদিনের প্রত্যাশা।
তিনি আরও জানান, রায়কে ঘিরে দেশ-বিদেশে ব্যাপক আলোচনা চলছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ নজরে পড়ছে। এমনকি ডেভিড বার্গম্যান যিনি হাসিনার শাসনামলে মানবাধিকার নিয়ে সবচেয়ে সক্রিয় কণ্ঠগুলোর একজন ছিলেন। তার সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে লিখেছেন যে প্রসিকিউশনের হাতে শক্ত প্রমাণ ছিল।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করেও বিচার নিয়ে নানা ব্যাখ্যা-মন্ত্রী চলছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। রুমিন বলেন, বিচারের দৃশ্যমানতা একমাত্র শর্ত নয়। আমরা দেখেছি এর সঙ্গে যোগ হয়েছে পিআর ভিত্তিক নির্বাচন, গণভোটের কথা, নানান শর্ত। এসব মিলিয়ে পরিস্থিতিকে জটিল করা হচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, শুধু আওয়ামী লীগ নয়, জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করার শর্তও তোলা হয়েছে। একইসঙ্গে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’প্রতিষ্ঠার দাবিও উঠেছে। জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ না করলে। যারা এই দাবি তুলছে তারা নির্বাচনে অংশ নেবে কি না এটিও এখন একটি বড় প্রশ্ন বলে মনে করেন রুমিন।
তার মতে, এসব জটিলতা সৃষ্টি হয়ে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবে আওয়ামী লীগই।
রিপোর্টার্স২৪/ঝুম