| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ পাস

reporter
  • আপডেট টাইম: নভেম্বর ২৫, ২০২৫ ইং | ০৭:৪৫:০২:পূর্বাহ্ন  |  ১২১৬০৭৯ বার পঠিত
উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ পাস
ছবির ক্যাপশন: উপদেষ্টা পরিষদে গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ পাস

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক:  জাতীয় রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত নিয়ে গণভোট অধ্যাদেশ-২০২৫ এর খসড়া নীতিগতভাবে পাশ করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অধ্যাদেশটিকে অনুমোদনের মাধ্যমে গণভোট আয়োজনের আনুষ্ঠানিক পথ সুগম হলো।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল জানিয়েছিলেন, কয়েক কার্যদিবসের মধ্যেই গণভোট আইনের কাঠামো তৈরি হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনই গণভোট আয়োজন করা হবে।

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ১৩ নভেম্বর জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে জানিয়ে ছিলেন, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং সেদিনই জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সুপারিশসমূহের ওপর জনগণের মতামত নিতে গণভোট নেওয়া হবে। তার ভাষায়, নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হলে “সংস্কারের গতি ব্যাহত হবে না, বরং উৎসবমুখর পরিবেশ ও ব্যয় সাশ্রয়—উভয়ই নিশ্চিত হবে।”

যে প্রশ্নে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, জুলাই সনদের আলোকে ব্যালটে একটি বিস্তৃত প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে। এতে ভোটারদের জানতে চাওয়া হবে, তারা কি জুলাই ন্যাশনাল চার্টার (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ–২০২৫–এ সম্মতি দিচ্ছেন। মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জনগণের ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’মতামত নেওয়া হবে

ক.নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো জুলাই সনদে বর্ণিত পদ্ধতিতে পুনর্গঠন করা হবে।

খ.আগামী জাতীয় সংসদ হবে দুই কক্ষবিশিষ্ট। এখানে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্যের একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে। গুরুত্বপূর্ণ—সংবিধান সংশোধনে এই উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনুমোদন বাধ্যতামূলক হবে।

গ.নারীর প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে উপস্পিকার ও কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমাবদ্ধতা, রাষ্ট্রপতির ভূমিকা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণসহ ৩০টি ঐকমত্যভিত্তিক সংস্কার বিজয়ী দলগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক হবে।

ঘ.জুলাই সনদে উল্লেখিত অন্যান্য সংস্কারগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হবে। গণভোটের দিনে ভোটাররা এই চারটি বিষয়ের যৌথ প্রশ্নে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’একটি মাত্র উত্তর প্রদান করে তাদের মতামত জানাবেন।


রিপোর্টার্স২৪/ঝুম

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪