বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাট সদর উপজেলার ষাট গম্বুজ ইউনিয়নের সুন্দরঘোনা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইসলাম শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক মোঃ আনোয়ারুস সায়াদাতের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের প্রতি অশ্লীল মন্তব্য, অনৈতিক প্রস্তাব, যৌন হয়রানি এবং মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক দাবি করেন, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়ার সময় কেউ এসব বার্তা পাঠিয়ে থাকতে পারে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রোববার (৭ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা বর্জন করে বিদ্যালয়ের সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত শিক্ষক দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ছাত্রীকে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, অনাকাঙ্ক্ষিত বার্তা, একান্তে ডেকে অনৈতিক আচরণ এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছিলেন। অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনো ব্যবস্থা নেয়নি কতৃপক্ষ। ফলে তারা নিরাপত্তাহীন পরিবেশে পড়াশোনা করতে বাধ্য হচ্ছে।
অভিভাবকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সন্তানদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই স্কুলে পাঠানো হয়, কিন্তু একজন শিক্ষক যদি এমন আচরণ করেন, তবে বিদ্যালয়ের পরিবেশ কখনোই নিরাপদ হতে পারে না। তাদের দাবি,অভিযুক্ত শিক্ষককে দ্রুত বরখাস্ত করে নিরপেক্ষ তদন্ত ও ছাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
অভিযোগকারীরা জানান, অডিও, ভিডিও ও স্ক্রিনশটসহ যাবতীয় প্রমাণ জেলা প্রশাসকের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক দাবি করেন, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হওয়ার সময় কেউ এসব বার্তা পাঠিয়ে থাকতে পারে।
অপরদিকে এসি ল্যান্ড এস. এম. নুরুন্নবী বিদ্যালয়ে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করে জানান, তদন্ত চলাকালীন অভিযুক্ত শিক্ষকের সব একাডেমিক কাজ স্থগিত করে তাকে জেলা প্রশাসনে তলব করা হয়েছে এবং প্রধান শিক্ষককেও সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টার্স২৪/মিতু