| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

বিশ্বরেকর্ড গড়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের

বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ের প্রস্তুতি

reporter
  • আপডেট টাইম: ডিসেম্বর ০৮, ২০২৫ ইং | ১৫:৪৫:১৬:অপরাহ্ন  |  ৪৫৩২৫৪ বার পঠিত
বিজয় দিবসে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ের প্রস্তুতি
ছবির ক্যাপশন: সংগৃহীত প্রতীকী ছবি

রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক: মহান বিজয় দিবসকে সামনে রেখে বিস্তৃত কর্মসূচির মাধ্যমে দেশজুড়ে চলছে উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি। এ বছর স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তিতে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করে বিশ্বরেকর্ড গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার ৫৪টি পতাকা হাতে স্কাইডাইভিং করবেন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে স্থান পাওয়ার লক্ষ্যে এটিই হবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং আয়োজন।

সোমবার(৮ ডিসেম্বর) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রস্তুতি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজমের সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান, প্রধান উপদেষ্টার মুখ্য সচিব সিরাজউদ্দিন মিয়া, স্বরাষ্ট্র ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভায় জানানো হয়, বিজয় দিবসের দিন সকাল ১১টা থেকে ঢাকার তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী পৃথকভাবে ফ্লাই-পাস্ট মহড়া এবং বিশেষ ব্যান্ড-শো প্রদর্শন করবে। সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে ‘টিম বাংলাদেশ’-এর ৫৪ জন সদস্য আকাশে পতাকা হাতে স্কাইডাইভিং করবেন। অনুষ্ঠানটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। একই দিন দেশের অন্যান্য শহরেও তিন বাহিনীর ফ্লাই-পাস্ট অনুষ্ঠিত হবে। সারাদেশে পুলিশ, বিজিবি ও আনসার বাহিনী ব্যান্ড-শো আয়োজন করবে।

মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় দেশের প্রতিটি জেলা-উপজেলায় তিন দিনব্যাপী বিজয়মেলার আয়োজন করবে। পাশাপাশি শিশু-কিশোরদের জন্য রচনা, আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৫ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিকেলে অ্যাক্রোবেটিক শো এবং সন্ধ্যায় যাত্রাপালা ‘জেনারেল ওসমানী’ মঞ্চায়িত হবে। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের গান পরিবেশন এবং ৬৪ জেলায় নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের গান পরিবেশিত হবে।

সভায় বিজয় দিবস উদ্‌যাপন নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফারুক ই আজম বলেন, ধর্ম, বর্ণ, বয়স, শ্রেণি নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতেই ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বলেন, এবারের বিজয় উদযাপন অতীতের সব আয়োজনকে ছাড়িয়ে যাবে।

তথ্য মন্ত্রণালয় দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে। সরকারি বিধি অনুযায়ী সব সরকারি-বেসরকারি ভবন, দূতাবাস ও মিশনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং আলোকসজ্জা করা হবে। প্রতিবারের মতো একত্রিশবার তোপধ্বনি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশেষ অনুষ্ঠান এবং মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে।

চট্টগ্রাম, খুলনা, মংলা, পায়রা বন্দর ও সদরঘাটসহ বিভিন্ন স্থানে নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজ জনসাধারণের জন্য সকাল ৯টা থেকে বিকেল পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে। সিনেমা হলে ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিনা টিকেটে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন এবং মিলনায়তন ও মুক্ত প্রাঙ্গণে প্রামাণ্যচিত্র দেখানো হবে।

এ ছাড়া জাদুঘর, বিনোদনকেন্দ্র, পার্ক শিশুদের জন্য বিনা প্রবেশমূল্যে উন্মুক্ত থাকবে। মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ সব উপাসনালয়ে বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন হবে। হাসপাতাল, জেলখানা, এতিমখানা, পথশিশু কেন্দ্র ও কল্যাণকেন্দ্রগুলোতে বিশেষ প্রীতিভোজ পরিবেশন করা হবে।

রিপোর্টার্স২৪/এসসি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪