রিপোর্টার্স২৪ ডেস্ক : বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে স্বামীর পাশে সমাহিত করা হয়েছে। চুয়াল্লিশ বছর আগে যেখানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানকে সমাহিত করা হয়েছে, সেই জিয়া উদ্যানে স্বামীর পাশেই শায়িত হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় সাবেক বিএনপি চেয়ারপারসনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয়।
রাষ্ট্রপতি, তিন বাহিনী প্রধান, উপদেষ্টাপন্ডলির সদস্য ও জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এরপর বিউগলের করুণ সুর বেজে ওঠে। এর মধ্য দিয়ে শেষ হয় দাফনের আনুষ্ঠানিকতা।
এর আগে বেলা ৩টায় জাতীয় সংসদের সামনে জনসমুদ্রের মধ্যে খালেদা জিয়ার জানাজা হয়। জাতীয় সংসদ ভবনের ভেতরের মাঠ, বাইরের অংশ এবং পুরো মানিক মিয়া অ্যাভেনিউ ছাড়িয়ে আশপাশের সব সড়ক, অলিগলি থেকে অজস্র মানুষ তাতে শরিক হোন।
এই মানিক মিয়া অ্যাভেনিউতেই ১৯৮১ সালের ২ জুন খালেদা জিয়ার স্বামী তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জানাজা হয়েছিল। পরে তাকে সমাহিত করা হয় চন্দ্রিমা উদ্যানে, যার বর্তমান নাম জিয়া উদ্যান।
জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক খালেদা জিয়ার জানাজা পড়ান। বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার আগে উপস্থিত মুসল্লিসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার ছেলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ পাশে মানিক মিয়া এভিনিউয়ে জানাজা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজার আগে তারেক রহমান বলেন, আমার মা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া কারো থেকে কোনো ঋণ নিয়ে থাকলে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।
আমি সেটি পরিশোধের ব্যবস্থা করব। খালেদা জিয়ার জীবনে কখনো কোনো আচরণে কেউ আঘাত পেয়ে থাকলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়ার অনুরোধ জানান তারেক রহমান।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন