অসদুপায় অবলম্বনকারী শিক্ষার্থীর নাম দিব্য জ্যোতি সাহা। তার রোল নম্বর ৩১১০০০৫২। তার বর্তমান ঠিকানা ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী হলেও স্থায়ী ঠিকানা খুলনা। তার বাবার নাম ড. সাহা চঞ্চল কুমার, যিনি জনতা ব্যাংকের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার। তার মা অল্পনা সাহা একজন গৃহিণী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল ১১টায় ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। পরীক্ষা চলাকালে এক ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক শিক্ষক তার ওপর নজর রাখেন। একপর্যায়ে দেখা যায়, ওই শিক্ষার্থী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে একাধিক ছবি তুলছেন। পরে কাছে গিয়ে দেখা যায়, তিনি ‘ডিপসিক’ নামক এআই অ্যাপ ব্যবহার করে প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছেন। পরীক্ষা শেষে তাকে আটক করে প্রক্টর দপ্তরে নেওয়া হয়।
এ বিষয়ে আটক শিক্ষার্থী বলেন, “আমি মোবাইল ফোন ব্যবহার করেছি, এটা আমার অপরাধ। ডিপসিক ব্যবহার করে উত্তর খুঁজছিলাম, তবে লিখতে পারিনি। আমি আমার অপরাধ স্বীকার করছি। আমাকে ছেড়ে দিলে ভবিষ্যতে আর কখনও এমন কাজ করব না।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর গিয়াসউদ্দিন বলেন, “প্রথম শিফটের পরীক্ষা চলাকালে জগদীশ চন্দ্র বসু ভবনের একটি কেন্দ্রে একজন পরীক্ষার্থীকে মোবাইল ফোন ও এয়ারপডসহ আটক করা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতিনিধি এবং আইসিটি সেন্টারের বিশেষজ্ঞ সদস্য প্রাথমিক তদন্তে তার প্রশ্নপত্রের ছবি তোলার আলামত পান। ছবিটি কোথাও পাঠানোর প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে ওই ছবি ব্যবহার করে ‘ডিপসিক’ নামক একটি এআই অ্যাপের মাধ্যমে উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হচ্ছিল।”
উল্লেখ্য, এ বছর দ্বিতীয়বারের মতো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পাশাপাশি ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর ও বরিশালে একযোগে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুক্রবার সকাল ১১টায় ‘সি’ ইউনিটের প্রথম শিফটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একই ইউনিটের দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা বিকেল ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে।
রিপোর্টার্স২৪/এসএন