| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ হাইকোর্টে

reporter
  • আপডেট টাইম: জানুয়ারী ২৭, ২০২৬ ইং | ০৩:০৫:৩০:পূর্বাহ্ন  |  ৮৫৭৩৫৭ বার পঠিত
নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ হাইকোর্টে

স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং এর সঙ্গে অনুষ্ঠিতব্য গণভোট বন্ধে পদক্ষেপ নিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিষ্ক্রিয়তা চ্যালেঞ্জ করে করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ (সামারিলি রিজেক্ট) করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিচারপতি রাজিক-আল-জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিট আবেদনকারীর পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস ও আসলাম মিয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও ব্যারিস্টার অনীক আর হক। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মুহাম্মদ আজমী ও মো. আহসান হাবীব।

শুনানি শেষে আইনজীবী চঞ্চল কুমার বিশ্বাস বলেন, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার বিষয়ে সরকার প্রচার চালাতে পারে কি না—মূলত এ প্রশ্নে রিটটি দায়ের করা হয়েছিল। এ বিষয় তদারক করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের।

তিনি আরও বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন চাইলে নির্বাচন বন্ধ করতে পারে। সে কারণে ইসিকে ডিমান্ড অব জাস্টিস লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় রিট আবেদন করা হয়।

রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক বলেন, আবেদনকারী জাতীয় সংসদ নির্বাচনসংক্রান্ত বিধিমালার অপব্যাখ্যা করে এই রিট দায়ের করেছেন। এর কোনো আইনি ভিত্তি বা সারবত্তা নেই।

তিনি বলেন, সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিলে কী হবে এবং ‘না’ দিলে কী হবে, তা জনগণের সামনে তুলে ধরছে। এটি কোনো প্রচার নয়, বরং জনসচেতনতা সৃষ্টি। গণভোট একটি স্বতন্ত্র প্রক্রিয়া। শুরুতে আবেদনকারীর মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত করা। উদ্দেশ্যমূলকভাবে দায়ের করা এ রিট খারিজযোগ্য—এমন যুক্তি তুলে ধরেন তিনি।

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে হাইকোর্ট রিট আবেদনটি সরাসরি খারিজ করে দেন।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নাদিম আহমেদ রিটটি দায়ের করেন। রিটের সম্পূরক আবেদনে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৯১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট বন্ধে পদক্ষেপ না নেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না—সে মর্মে রুল চাওয়া হয়। একই সঙ্গে ২০ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে পাঠানো লিগ্যাল নোটিশ নিষ্পত্তির নির্দেশনাও প্রার্থনা করা হয়েছিল।

রিপোর্টার্স২৪/বাবি

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪