| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানে করে গোপালগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপির নেতারা

reporter
  • আপডেট টাইম: Jul ১৬, ২০২৫ ইং | ১৫:১৮:৫০:অপরাহ্ন  |  ১৭৪৬৪৪২ বার পঠিত
সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানে করে গোপালগঞ্জ ছাড়লেন এনসিপির নেতারা
ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি : গোপালগঞ্জে গিয়ে হামলার মুখে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অবস্থান নেয় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। পরে সেখান থেকে বুধবার বিকেল  সোয়া ৫টায় সেনাবাহিনীর সাঁজোয়া যানে করে এনসিপির নেতারা গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের কার্যালয় ছাড়েন। 

এর আগে বুধবার বিকালে শহরের পৌর পার্কে সমাবেশ শেষ করে গোপালগঞ্জ থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিল এনসিপির নেতারা। যাওয়ার পথে এনসিপি নেতাদের গাড়ি বহর পৌনে ৩টার দিকে শহরের লঞ্চ ঘাট এলাকায় গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে গাড়িবহরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল থেকে দফায় দফায় হামলা ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে এনসিপি নেতারা শহরের পৌর পার্ক এলাকায় সমাবেশ করেছিলেন। সেখান থেকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর প্রহরায় গাড়ি বহর নিয়ে বেরিয়ে কিছু দূর যাওয়ার পর পরই শত শত জনতা সেখানে হামলা চালানো  হয় । এরপরই পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এনসিপি নেতাদের গাড়িবহর ঘুরিয়ে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে নিয়ে যান। তারা সেখানেই অবস্থান করছিলেন। এদিকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় চত্বরে এনসিপি নেতাদের সাঁজোয়া যানে উঠার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছেন। এদিকে ভিডিওতে দেখা যায়, প্রথমে একটি সাঁজোয়া যানের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন এনসিপি নেতা সারজিস আলম, তিনি বেরিয়ে এসে হাসনাত আব্দুল্লাহকে নিয়ে আবার সাঁজোয়া যানে প্রবেশ করেন। সেখানে থাকা সেনাসদস্যরা তাদের সাঁজোয়া যানের ভেতরে ঢুকতে সাহায্য করেন। সারজিস ও হাসনাত আব্দুল্লাহ গাড়ির ভেতরে ঢোকার পর সেখানে প্রবেশ করেন। তারপর সেখানে এনসিপি নেতা আখতার হোসেন আসেন। কিন্তু তাকে সেই গাড়িতে না তুলে পাশের একটি গাড়িতে তোলা হয়। এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকেও সাঁজোয়া যানে উঠতে দেখা গেছে।

এছাড়া এনসিপির পদযাত্রা ও সমাবেশকে ঘিরে সকাল থেকে দফায় দফায় হামলা, সংঘর্ষ, অগ্নিসংযোগ ও গুলির শব্দে গোটা গোপালগঞ্জ শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

হাতবোমা, সাউন্ড গ্রেনেড ও কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপের বিকট শব্দ আর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে আতঙ্কে শহরের অধিকাংশ এলাকায় দোকানপাট বন্ধ হয়ে গেছে। মানুষের চলাচলও সীমিত হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধরা জারি করা হয়েছে।



রিপোর্টার্স২৪/আরএইচ

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪