গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ২২৪ শিশু। সোমবার (২৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হাম উপসর্গে মোট ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ভয়নক হয়ে ওঠা হাম এবং এর উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট ৫১২ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২১৩২ জন হাম রোগী
দিন দিন হামের প্রকোপ বাড়ছে। হাম ও হামের উপসর্গে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৩ শিশু মারা গেছে। শনিবার (২৩ মে) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়।
দেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৩১৫ জন। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার (২২ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত ঘটে এসব মৃত্যুর ঘটনা। আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে হামবিষয়ক
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে যেকোনো হামে আক্রান্ত রোগীকে ১০০টাকায় বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করেছে গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল। এছাড়াও গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতাল হামরোগীর চিকিৎসায় আইসোলেশন ইউনিট চালু রয়েছে।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ৭ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৩১ জন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে এ তথ্য জানানো হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ৬৩১ জন। আর গত ১৫ মার্চ থেকে ২১ মে পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৯ হাজার ২৭৯ জনে।
দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৪০৮ জনের শরীরে হাম অথবা এর উপসর্গ শনাক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। আর ২ শিশুর হামে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭৫ জনে। এর মধ্যে ৭৭ জনের হামে মৃত্যুর বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
দেশজুড়ে আবারও উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দুই জেলায় হাম ও হাম-সদৃশ উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে সিলেটে ৩ জন এবং ময়মনসিংহে ১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় হামের টিকার কোনো মজুত ছিল না। ২০২০ সালের ডিসেম্বরের পর দেশে নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচি না হওয়া এবং টিকার তীব্র ঘাটতি বর্তমান হামের প্রাদুর্ভাবের মূল কারণ বলে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও এর উপসর্গে আরো ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫১৭ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। রবিবার (১৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হামের উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৯ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। শনিবার (১৬ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে চারজনের শরীরে হাম রোগ নিশ্চিত হওয়া গেছে। বাকি আটজনের মধ্যে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৫১৮ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।