ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র আকস্মিকভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর তেহরানের প্রতিশোধমূলক আঘাতের মধ্য দিয়ে যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে, তারপর থেকে প্রায় ৭০ লাখ ইরানি দেশটির সামরিক বাহিনীতে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে নাম লিখিয়েছেন।
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনা করে বলেছেন, বলপ্রয়োগ করে হরমুজ প্রণালী পুনরায় চালু করা বাস্তবসম্মত নয়। তিনি বলেন, ট্রাম্প প্রতিদিন তার অবস্থান নিয়ে সন্দেহ তৈরি করে ন্যাটো জোটকে দুর্বল করে দিচ্ছেন।
পূর্ব আফ্রিকার দেশ রুরুন্ডিতে একটি সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এতে ঘাঁটিতে বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৫৭ জন।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সংঘাতের প্রেক্ষাপটে একটি বিশেষ গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে তাসনিম নিউজ এজেন্সির কৌশলগত গবেষণা কেন্দ্র। বিশ্বের ৮০টি প্রধান থিঙ্ক ট্যাংকের গত এক মাসের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে এই গবেষণা দাবি করেছে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক লক্ষ্য অর্জনে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল চূড়ান্তভাবে ব্যর্থ হয়েছে।
ইরানের সামরিক বাহিনীর সক্ষমতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ধারণা অসম্পূর্ণ বলে জানিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর খতম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল কমান্ড সদর দপ্তর। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সেন্ট্রাল কমান্ড বলেছে, শত্রুরা আত্মসমর্পণ না করা পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে।ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারের মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যে মূল্যায়ন দিচ্ছে, তা ‘অসম্পূর্ণ’ এবং বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। তার দাবি, ইরান শিগগিরই আরও ‘বিচূর্ণকারী, ব্যাপক ও ধ্বংসাত্মক’ সামরিক পদক্ষেপ নেবে।
আগামী ১৫ এপ্রিলের পর পোল্যান্ডের ভিসা আবেদন গ্রহণ করবে না ঢাকাস্থ সুইডেন দূতাবাস। বৃহস্পতিবার(২ মে) শেনজেন ভিসা আবেদনকারীদের জন্য এই বার্তা দিয়েছে দূতাবাস।
বুরুন্ডির একটি সামরিক ঘাঁটিতে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কারণে ভয়াবহ বিস্ফোরণে অন্তত ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৫৭ জন আহত হয়েছেন।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপরাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় আঘাত হেনেছে ৭ দশমিক ৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, যা দেশটির পূর্বাঞ্চলে ব্যাপক আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। নর্দার্ন মলুক্কা সাগরের টারনেট উপকূলের কাছে সংঘটিত এই কম্পনের পর আশপাশের এলাকায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ইরানি হামলায় মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজনের বাহরাইনে থাকা ক্লাউড কম্পিউটিং কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের (এডব্লিউএস) ডেটা সেন্টারে ড্রোন হামলার এই তথ্য বুধবার (১ এপ্রিল) জানায় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধ এবং সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টা নিয়ে সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বুধবার তাদের মধ্যে এই ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়
ইরানে সামরিক অভিযানের লক্ষ্য অর্জনের প্রায় শেষ প্রান্তে আছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার সকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সময় তিনি জানান, ইরানে হয়ত তাদের ‘কাজ শেষ করতে’ আর দুই থেকে তিন সপ্তাহ লাগবে।
যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের উদ্দেশে এক খোলা চিঠিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, আধুনিক ইতিহাসে ইরান কখনোই আগ্রাসন বা যুদ্ধ শুরুর পথ বেছে নেয়নি। তবে দেশটি আক্রান্ত হলে সবসময় দৃঢ়তা ও সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম Press TV-তে প্রকাশিত ওই চিঠিতে তিনি ইরানকে মানব ইতিহাসের অন্যতম প্রাচীন ও ধারাবাহিক সভ্যতা হিসেবে উল্লেখ করেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জাতির উদ্দেশে ভাষণ শেষ করার পরই ইরান ইসরায়েলের দিকে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। এ ঘটনায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সতর্ক অবস্থায় রয়েছে এবং তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানে চলমান যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্র দ্রুত সরে আসবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আবারও ‘নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা’ চালানো হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। বুধবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, আমরা খুব দ্রুত ইরান থেকে বেরিয়ে আসব। তবে প্রয়োজনে আবার ফিরে এসে লক্ষ্যভিত্তিক হামলা চালাব।
পৃথিবীর ঘূর্ণনগতি ধীরে ধীরে কমে আসছে, ফলে দিনগুলো ক্রমান্বয়ে বড় হচ্ছে—সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে এমনই চমকপ্রদ তথ্য। ভিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইটিএইচ জুরিখ-এর গবেষকেরা জানিয়েছেন, এই পরিবর্তন ঘটছে অভূতপূর্ব গতিতে এবং এর পেছনে প্রধান ভূমিকা রাখছে মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন।