| বঙ্গাব্দ
Space For Advertisement
ad728

রাবি শিক্ষার্থীদের স্লোগানেও ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’

reporter
  • আপডেট টাইম: অক্টোবর ২১, ২০২৫ ইং | ১৩:৩৩:৫১:অপরাহ্ন  |  ১১৬৩৮৮৩ বার পঠিত
রাবি শিক্ষার্থীদের স্লোগানেও  ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’
ছবির ক্যাপশন: ছবি: প্রতিনিধি

রাজশাহী প্রতিনিধি : তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবিতে এবার আন্দোলনে নেমেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা। তিস্তা বাচাও আন্দোলন’র ব্যানারে তারা গণজমায়েত ও সাংস্কৃতিক আন্দোলন কর্মসূচি পালন করেন।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে এই কর্মসূচি শুরু করেন রাবি শিক্ষার্থীরা। তিস্তা ইস্যুতে প্রতিবাদী গান, কবিতা ও বক্তব্য উপস্থাপন করেন তারা। এ কর্মসূচিতে একটি স্লোগানই বেশি শোনা গেছে, তা হলো- ‘জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই’।

কর্মসূচিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) প্রতিনিধিদলের একাংশ, বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

রাকসু ভিপি ও শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ বলেন, ‘তিস্তা নদীতে যে গজলডোবা বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে, তার মাধ্যমে পানি বণ্টনে আমাদের বারবার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, ছোট করা হয়েছে এবং অসম্মান করা হয়েছে। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ, নদী না বাঁচলে আমরা বাঁচব না।’

সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি ফাহিম রেজা বলেন, ‘তিস্তা প্রকল্প ও তিস্তা পানি চুক্তি বাস্তবায়ন উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রাণের দাবি। বাংলাদেশ ও চীন সরকার তিস্তা প্রকল্প নিয়ে বারবার আলোচনা করলেও কোনো এক অজানা কারণে সাফল্যের মুখ দেখছে না। ফলে বর্ষাকালে উত্তরবঙ্গের জেলা ও ফসলের মাঠ প্লাবিত হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের তথাকথিত একটি বন্ধু রাষ্ট্রের সঙ্গে অনেকগুলো অসম চুক্তি রয়েছে, যার মধ্যে তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি অন্যতম। চুক্তির নামে আমাদের যা কিছু দেওয়ার ছিল সব দেওয়া শেষ, কিন্তু পানি আমরা পাইনি। বাংলাদেশ ও ভারতের সব অসম চুক্তি বাতিল করতে হবে।’

শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি শেখ নূর উদ্দিন আবীর বলেন, ‘আমরা ভারতকে এখান থেকে বার্তা দিতে চাই বাংলাদেশে হাসিনা আর নাই, এটা এখন জেনজির বাংলাদেশ। আপনারা ভুলে যাবেন না আপনারা বড় ভাই নন, প্রতিবেশী। যদি বড় ভাইসুলভ আচরণ করেন, আমরা আপনাদের দেখে নেব।’

আন্দোলনের সাথে একাত্মতা পোষণ করে উপাচার্যের সচিব সুলতান আলী বলেন, ‘আমরা ন্যায্য হিস্যা চাই। আমাদের সেই খরস্রোতা তিস্তা, বৈরালি মাছের সেই ঝোল আজও আমাদের মুখে লেগে আছে। কিন্তু আজকের তিস্তা মরুভূমিতে পরিণত হয়েছে। যেই সময় পানির প্রয়োজন নেই, সেই সময় আমাদের ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে; আর যখন পানির প্রয়োজন, তখন শুধু বালু—ধু ধু বালু।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই বৈষম্যমূলক আচরণের কারণে তিস্তার দুই পাড়ে যারা বসবাস করি, আমরা সকলে তিস্তার করালগ্রাসে স্বাভাবিক জীবন থেকে বঞ্চিত হয়েছি।’

রিপোর্টার্স২৪/আরকে

ad728

নিউজটি শেয়ার করুন

ad728
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ রিপোর্টার্স২৪ - সংবাদ রাতদিন সাতদিন | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় ক্রিয়েটিভ জোন ২৪