রিপোর্টার্স ২৪ ডেস্কঃনির্বাচনের সময় নিয়ে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ছাত্রনেতাদের মধ্যে । একদিকে ছাত্রদল নির্বাচন পেছানোর দাবির কথা বলছে। অন্যদিকে ২৭ নভেম্বর ঘোষিত সময়ে নির্বাচন চায় ছাত্রশিবির।
ছাত্রদলের নেতাদের অভিযোগ, কমিশন একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিতে নির্বাচন নিয়ে তড়িঘড়ি করছে। ছাত্র শিবির অভিযোগ তুলছে নির্বাচন পেছানোর পাঁয়তারার। নির্বাদুচন নিয়ে দুই পক্ষের এই মতবিরোধের কারনে সুষ্ঠ নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
রোববার উপাচার্যের সভাকক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতারা এসব মতামত জানান। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ছাত্র সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ডাকসু, জাকসু, চাকসু ও রাকসুতে তফশিল ঘোষণার পর প্রার্থীরা দুই কয়েক মাস পর্যন্ত সময় পেয়েছেন। জকসু নির্বাচনের তারিখ ২৭ নভেম্বর। এত দ্রুত নির্বাচন হলে বিধিমালা অনুযায়ী ক্যাম্পাসে কোনো কর্মসূচি করতে পারব না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাতে নির্বাচনের ৯৬ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ দিতে হবে।এ জন্য নির্বাচনের সময়সীমা পিছিয়ে দিতে হবে।
এ সময় ছাত্রশিবির নেতারা এর বিরোধিতা করে। তারা জোর দাবি করে, পূর্বনির্ধারিত তারিখ ২৭ নভেম্বরেই নির্বাচন দিতে হবে। এ সময় নির্বাচন কমিশনার জানান, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে যৌক্তিক সময় ঘোষণা করব।
ইসলামী ছাত্রশিবির পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের নিচে সংবাদ সম্মেলন করে । শিবিরের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মো. রিয়াজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ‘নির্বাচন কমিশন একটি বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে। বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দিয়ে নির্বাচন না করার পাঁয়তারা করছে। তাদের দাবী ষোষিত সময়ে জকসু নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে হবে। তপশিল বিলম্বিত হলে নির্বাচন করা কঠিন হয়ে পড়বে। এর পর আসবে শীতকালীন ছুটি, তখন শিক্ষার্থীরা ঢাকায় থাকবেন না, অনেকে বাসায় যাবেন।’
উল্লেখ্য, আগে গত ২৯ অক্টোবর জকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত বিধিমালা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। পরদিন নির্বাচনের আচরণবিধি প্রকাশ হয়। দাবি উঠলে গতকাল সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
রিপোর্টার্স ২৪ / জয়