শনিবার (১৯ জুলাই) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। আমন্ত্রিত অতিথিদের বক্তব্যের পর দলীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজের বক্তব্য শুরু করেন। কিছু সময় কথা বলার পর হঠাৎ করেই তিনি মঞ্চে পড়ে যান। তবে পরক্ষনেই তিনি অসুস্থ অবস্থায় মঞ্চে বসে থেকেই সমাপনী বক্তব্য শেষ করেন জামায়াতের আমির।
বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব ডক্টর গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক আওয়ামী লীগ ও বিএনপি – উভয় প্রধান রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধেই হিন্দু সম্প্রদায়কে বঞ্চনা ও প্রতারণার অভিযোগ এনেছেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীকে একটি আদর্শিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা ও পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের দাবি জানান।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, “জুলাই মাস আমাদের ইতিহাসে এক নির্মম অধ্যায়। এই মাস কেবল কষ্টেরই নয়, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও বিজয়ের প্রতীক। শহীদ পরিবারগুলো বিচারহীনতার এক চরম বাস্তবতার মধ্য দিয়ে দিন পার করছে। জুলাইয়ের যে চেতনা, যে আকাঙ্ক্ষা—তার জন্য এরচেয়ে লজ্জাজনক কিছু হতে পারে না।”
রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশে যোগ দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
পিআর পদ্ধতি, জুলাই গণহত্যার দৃশ্যমান বিচার ও লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতসহ ৭ দফা দাবিতে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশের মূল কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহাসমাবেশ যোগ দিয়েছেন দলটি আমির ডা. শফিকুর রহমান।
মানবিক ও দুর্নীতিমুক্ত কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে গড়তে চেষ্টা করছি। আজকে লাখ লাখ মানুষ সারাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আমাদের কথায় সাড়া দিয়ে বানের পানির মতো ছুটেছে। টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া, রূপসা থেকে পাথুরিয়া ফজরের নামাজ পড়েই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অংশ নিচ্ছেন।
রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে প্রথমবারের মতো জাতীয় সমাবেশ করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে জাতীয় সমাবেশের প্রথম পর্ব শুরু হয়েছে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করছেন সাইফুল্লাহ মানসুর। সাইমুম শিল্পী গোষ্ঠী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন। এছাড়া নহদনগর ও বিভাগীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আজ শনিবার জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ। ঢাকা ও ঢাকার বাইরে থেকে দলে দলে আসতে শুরু করেছেন দলটির নেতাকর্মীরা। দলটির আশা করছে, জাতীয় সমাবেশে ১০ লাখেরও বেশি মানুষের সমাগম ঘটবে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে এরই মধ্যে মূল নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) পুলিশ।
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ হচ্ছে আজ।
জামায়াতের জাতীয় সমাবেশস্থলে এসে পৌঁছেছেন দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার। শনিবার (১৯ জুলাই) সকাল ৯টা ২৫ মিনিটে মন্দির গেট দিয়ে তাকে প্রবেশ করতে দেখা যায়।
সাত দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতের জাতীয় সমাবেশে লাখ লাখ মানুষের ঢল নেমেছে। সমাবেশ শুরুর ৬ ঘণ্টা আগেই দলটির নেতাকর্মী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে গেছে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। এছাড়া সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে হাজার হাজার জামায়াতের নেতাকর্মী অবস্থান করছে।
জধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশ করবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১৮ জুলাই) অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশ ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীদের বেশকিছু দিকনির্দেশনা দিয়েছে দলটি।
শনিবার (১৯ জুলাই) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জাতীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সমাবেশ শনিবার দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও শুক্রবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যা থেকেই নেতাকর্মীরা উদ্যানে জড়ো হতে শুরু করেছেন।