যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগন হোয়াইট হাউজের কাছে ২০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (২০ হাজার কোটি মার্কিন ডলার) এর বেশি জরুরি তহবিল
পাকিস্তান ও আফগানিস্তান বুধবার থেকে ইসলামী উৎসব ঈদুল ফিতর উপলক্ষে একে অপরের বিরুদ্ধে সাময়িকভাবে সামরিক অভিযান স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চার শক্তিধর দেশের জ্বালানি অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে
ইসরায়েলের হামলার জবাবে কাতারের প্রধান গ্যাস স্থাপনাসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি স্থাপনাগুলোতে হামলা চালিয়েছে ইরান।
মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার খবরের প্রেক্ষিতে বৈশ্বিক তেলের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার আন্তর্জাতিক বাজারে লেনদেনের সময় তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১০ ডলারে পৌঁছেছে। পাশাপাশি গ্যাসের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।
ইরান যুদ্ধ ইস্যুতে জাপানের সহায়তা চাইতে পারেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এ লক্ষ্যে বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধ ২০তম দিনে আরও বিস্তৃত আকার নিয়েছে। শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের হত্যাকাণ্ড এবং জ্বালানি স্থাপনায় পাল্টাপাল্টি
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা ও জাতীয় গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক তুলসী গ্যাবার্ড বলেছেন ইরানের শাসনব্যবস্থা এখনও ‘অটুট’ থাকলেও তা ‘ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ বা ‘দুর্বল’ হয়ে পড়েছে ।
শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় আফগানিস্তান, নাইজার ও মালিতে বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পবিত্র ঈদুল ফিতর উদ্যাপন হচ্ছে। বুধবার রাষ্ট্রীয় ঘোষণার পর দেশগুলোতে রাতেই ঈদ উদযাপনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু হয়।
ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর আপাতত নতুন করে কোনো হামলা না চালানোর পক্ষেই অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাম্প্রতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তিনি এই অবস্থান নিয়েছেন ।
কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আকাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রকে ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় বিমান হামলার ঘটনা সামনে এসেছে, যার জন্য ইসরায়েলকে দায়ি করা হচ্ছে।
ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অভিযানে অংশ নিতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাত। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ।
পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ কেশম দ্বীপ সাম্প্রতিক সংঘাতের কারণে এক নতুন বাস্তবতায় প্রবেশ করেছে। এক সময় মুক্ত বাণিজ্য ও পর্যটনের জন্য পরিচিত এই দ্বীপ এখন ইরান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল-এর মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সামরিক গুরুত্বের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। হরমুজ প্রণালির মুখে অবস্থিত এই দ্বীপটি ভৌগোলিকভাবে এমন এক অবস্থানে রয়েছে, যেখান থেকে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ
ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে বলেছেন, সামরিক জোটটি মিত্র দেশের সঙ্গে আলোচনা করছে কিভাবে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলা যায়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথটি আবার খোলা উচিত। খবর সিএনএনের বুধবার (১৮ মার্চ) নরওয়েতে