ইরানের রাজধানী তেহরানে বিমান হামলার মধ্যেই সোমবার শহরের এঙ্গেলাব স্কোয়ারে নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেনির প্রতি সমর্থন জানিয়ে সমাবেশ করেছেন বহু মানুষ। অংশগ্রহণকারীরা নিহত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছবি বহন করেন এবং তার পাশে মোজতবা খামেনির প্রতিকৃতিও প্রদর্শন করেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রচারিত ভিডিওতে দেশের আরও কয়েকটি শহরেও অনুরূপ সমাবেশ দেখা যায়। সেখানে অংশগ্রহণকারীরা “আমেরিকার মৃত্যু হোক” ও “ইসরায়েলের মৃত্যু হোক” স্লোগান দেন। সমাবেশস্থলে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়।
বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে দখলদার ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ইরান নতুন মিসাইল ছুঁড়েছে বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী মিসাইল শনাক্ত করেছে এবং এর প্রভাবে দেশটির উত্তরাঞ্চলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান একাধিকবার ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে শত শত মিসাইল ছুঁড়েছে। তবে দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মিসাইলের আক্রমণের সংখ্যা কমে এসেছে। এই সর্বশেষ হামলায় কতটি মিসাইল ছোড়া হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার মন্তব্য করেছেন, ইরান যখন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে ঘোষণা করেছে, তখন তারা “বড় ভুল করেছে।” ট্রাম্প সংবাদমাধ্যম এনবিসিকে বলেন, আমি মনে করি তারা একটি বড় ভুল করেছে। মোজতবা রাজনৈতিকভাবে খুব বেশি প্রভাবশালী নয় এবং তাঁর গুরুত্ব সীমিত।
নিউইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) সোমবার (৯ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের জনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাদা ফসফরাস ব্যবহার করেছে, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংস্থাটি গত ৩ মার্চ দক্ষিণ লেবাননের ইয়োহমোর গ্রামে আবাসিক এলাকার ওপর সাদা ফসফরাস ছোড়ার সাতটি ছবির সত্যতা নিশ্চিত করেছে, যেখানে অন্তত দুটি বাড়িতে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক একতরফা হামলার পর আন্তর্জাতিক আইন নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন বিশেষজ্ঞদের একটি বড় অংশ মনে করছেন, এই হামলা আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ফলে প্রশ্ন উঠছে, একবিংশ শতাব্দীর ধারাবাহিক যুদ্ধ কি ধীরে ধীরে প্রচলিত আন্তর্জাতিক আইনব্যবস্থাকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে?
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান সংঘাতের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যে তেল উৎপাদন ও রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত
এবার তুরস্কে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ইরান থেকে এ হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। সোমবার (০৯ মার্চ) আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ইরানে আলী জাফরিয়ান জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় দেশজুড়ে অন্তত ১,২৫৫ জন নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ২০০ শিশু এবং ১১ জন চিকিৎসক রয়েছেন। আহতের সংখ্যা ১২,০০০-এর বেশি, যাদের বেশিরভাগই পুড়ে যাওয়া বা চাপে থাকা আহত। নিহতদের বয়স ৮ মাস থেকে ৮৮ বছরের মধ্যে। জাফারিয়ান বলেন, বেশিরভাগই সাধারণ নাগরিক
মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার ১০তম দিনে ইরান ক্রমশ নতুন “যুদ্ধপর্বে” প্রবেশ করছে। মোজতবা খামেনিকে দেশের নতুন সর্বোচ্চ নেতা
শেখ মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান বিন জসিম আল থানি, কাতারের প্রধানমন্ত্রী, ইরানের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি বলেন, ইরান কাতার এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের
ইসরায়েল গত শনিবার ইরানের ৩০টি জ্বালানি ডিপোতে যে হামলা চালিয়েছে, তা যুক্তরাষ্ট্রকে আগেভাগে জানানো হয়েছিল। তবে ওয়াশিংটন যে পরিমাণ হামলার প্রত্যাশা করেছিল, ইসরায়েলি হামলা তার চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত ছিল। এতে যুদ্ধ শুরু হওয়ার আট দিনের মাথায় দুই মিত্র দেশের মধ্যে প্রথম বড় ধরনের মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। এমনকি, ওয়াশিংটনের তরফ থেকে তেল আবিবে ‘হোয়াট দ্য ফা** বা ডব্লিউটিএফ’ বার্তা পাঠানো হয়েছিল।
ইরানকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ তীব্র হওয়ার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলার ছাড়িয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে
ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক সংঘাত তীব্র হওয়ার পর বৈশ্বিক বাজারে সোনার দাম দ্রুত বেড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তার ছেলে মুজতবা খামেনিকে দেশটির নতুন সর্বোচ্চ
মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা ও ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের পুঁজিবাজারে। সপ্তাহের শুরুতেই করাচি স্টক এক্সচেঞ্জে বড় ধরনের ধস নেমেছে, যার ফলে বাজারের লেনদেন সাময়িকভাবে স্থগিত করতে হয়েছে কর্তৃপক্ষকে।