ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি-এর মৃত্যুকে স্বাগত জানিয়ে মন্তব্য করেছেন দেশটির ‘শেষ শাহ’র ছেলে রেজা শাহ পাহলভী, যিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাসিত।
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্কুলে বিস্ফোরণে অন্তত ১০৮ জন নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয় এক কৌঁসুলি। তেহরানের অভিযোগ,
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর দেশটিতে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এদিকে, সম্ভাব্য পাল্টা আঘাতের বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার ১ মার্চ ইসরায়েল জানায়, তারা ইরানে আরেক দফা সামরিক হামলা শুরু করেছে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক সামরিক হামলার সিদ্ধান্তের পেছনে ইসরায়েল ও সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের চাপ বড় ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন পোস্ট। প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শনিবার ইরানের বিরুদ্ধে যে বৃহৎ আকাশ হামলা চালান, তার আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে ইসরায়েল ও সৌদি নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জোরালো লবিং চলছিল। হামলার প্রথম ঘণ্টাতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনি নিহত হন বলে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটি গঠন করেছে তিন সদস্যের ‘অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ’, যার প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান।
ইরানের সামরিক বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে বোমাবর্ষণের জবাবে তারা প্রতিশোধমূলক হামলার ষষ্ঠ ধাপ শুরু করেছে।
ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশ সময় রোববার মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা (রাহবার) কে হবেন- তা নিয়ে রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। ইরানের সংবিধান অনুযায়ী, সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচন করে Assembly of Experts (আলেমদের পরিষদ)। এই পরিষদই সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে নতুন নেতা বাছাই করবে।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। ইরানের সরকারি বার্তাসংস্থা ফার্স নিউজের বরাতে জানা গেছে, রোববার (০১ মার্চ) বাংলাদেশ সময় সকালে তেহরান আনুষ্ঠানিকভাবে খামেনির মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করার পর আইআরজিসি এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থাগুলো আজ রোববার (১ মার্চ ২০২৬) একযোগে জানিয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মেয়ে, জামাতা (পুত্রবধূ/জামাতা) ও নাতি (নাতনি/নাতি) নিহত হয়েছেন।
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুতে দেশজুড়ে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে তেহরান। একই সঙ্গে সাত দিনের সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল-জাজিরা।
ইরানের ওপর সম্ভাব্য ইসরায়েলি বা যুক্তরাষ্ট্রের হামলা এবং শীর্ষ নেতাদের গুপ্তহত্যার আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে আগাম প্রস্তুতি নিয়েছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আলী লারিজানি। জরুরি পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রীয় ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে জাতীয় নিরাপত্তা কাঠামোয় বিশেষ ক্ষমতা অর্পণের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে এবং তাঁর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন একটি ইসরায়েলি কর্মকর্তা। এই তথ্য প্রকাশের পর আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে সামরিক হামলাকে ‘অবৈধ ও অসাংবিধানিক’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড জে মার্কি। এক বিবৃতিতে মার্কি বলেন, এই হামলার জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন নেওয়া হয়নি, যা সব মার্কিন নাগরিকের জন্য এক বড় ঝুঁকি তৈরি করছে। তার ভাষ্য, ট্রাম্পের একপাক্ষিক পদক্ষেপ বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে, যা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনা ও বেসামরিকদের জন্য গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তীব্র হয়ে ওঠার পর ইরান দাবি করেছে, তাদের সামরিক প্রতিশোধী অভিযান থেকে অন্তত ২০১ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন। ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই সংখ্যা প্রকাশ করেছে এবং জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও বিমানঘাঁটিতে হামলার মাধ্যমে তারা, প্রত্যেকটি হামলার প্রতিশোধ নিয়েছে।