ধুরন্ধররা উত্তরাঞ্চলের মানুষদের গরিব করে রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দুর্নীতি ও দুঃশাসন না থাকলে উত্তরাঞ্চল কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানী হতো। আগামীতে দেশ ইনসাফের ভিত্তিতে চললে কৃষক তার পণ্যের ন্যায্যমূল্য পাবে। নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ঠাকুরগাঁওয়ের এক জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। জামায়াত আমির বলেন, ক্ষমতায় গেলে তিন শর্তে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়বে জামায়াত। শর্তের মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি
জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ও কুমিল্লা-১১ আসনের প্রার্থী ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, একটি রাজনৈতিক দল নতুন করে ভারতের সঙ্গে আপস করে আবারও দেশ শাসনের ষড়যন্ত্র করছে। তিনি বলেন, তারা বাংলাদেশকে ভারতের কাছে বিক্রি করে দিতে চায়, কিন্তু এ দেশের চার কোটি যুবসমাজ তা কখনোই হতে দেবে না।
বাংলাদেশে বরাবরই কোনো একজন শীর্ষ নেতাকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দল বা জোটকে নির্বাচনী প্রচারণা চালাতে দেখা গেলেও জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে গঠিত ১০ দলীয় জোটে এবার সেভাবে কাউকে সামনে রাখা হয়নি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্র
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আগামীকাল শনিবার (২৪ জানুয়ারি) জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সিরাজগঞ্জ সফরে যাচ্ছেন।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, কিছু রাজনৈতিক দল পাঁচ বছর পরপর জনগণের কাছে আসে, আর বাকি সময় তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। বসন্তের কোকিলের মতো তারা শুধু নির্বাচনের মৌসুম এলেই কুহু কুহু ডাক শুরু করে।
জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে ইনসাফভিত্তিক উন্নয়ন করা হবে বলে অঙ্গীকার করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘জনগণের ভোটে, তাদের ভালোবাসায়, তাদের সমর্থনে আমরা যদি দেশ সেবার সুযোগ পাই, সরকার গঠনের সুযোগ পাই তাহলে যৌক্তিকতার ভিত্তিতে, কোনো অলীক স্বপ্ন নয়, মিথ্যা ওয়াদা নয়, বাস্তবতার ভিত্তিতে আমাদের সর্বশক্তি এবং দেশের জনগণের যে সম্পদ, সেই সম্পদ দিয়ে আমরা ইনসাফভিত্তিক উন্নয়ন এবং সমস্যা সামাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করব।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোট খুব শিগগিরই ১১ দলে পরিণত হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন দলের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভার প্রস্তুতি পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নতুন জামা পরা ফ্যাসিবাদের ৫ আগস্টের মতো একই পরিণতি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মিরপুরের আদর্শ স্কুল মাঠে ঢাকা-১৫ আসনে নিজের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াত আমির বলেন, বাংলাদেশ সবার জন্য। মহান এই দেশে আমরা ফ্যাসিবাদের
জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের বলেছেন, ভারত যাদের বন্ধু মনে করে, তারাই হিন্দুদের জায়গা দখল করেছে।
দশ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর জনসমাবেশের মধ্য দিয়ে দলটির নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
‘ঢাকায় কোনও সিট দিবো না, সব সাইজ হয়ে যাবে’ বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ও ১০ দল সমর্থিত প্রার্থী ডা. এসএম খালিদুজ্জামান। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া এক ভিডিওতে তাকে এ কথা বলতে শোনা যায়। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ভিডিওটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এতে দেখা যায়, ডা.
মিরপুরের পীরেরবাগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা বিভাগের কর্মীদের প্রোগ্রাম চলাকালে আটকে রেখে হেনস্থা ও স্থানীয় জামায়াত ও শিবির কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাস্তব সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে যে, ইসলামপন্থী দল জামায়াতে ইসলামী একটি জোটের নেতৃত্ব দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় যেতে পারে। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে জনমত জরিপ ও রাজনৈতিক সমীকরণে দলটির উত্থান দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কুড়িগ্রাম জেলা শাখা। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বিকেলে কুড়িগ্রাম জেলা শহরের কলেজমোড় এলাকার গ্র্যান্ড অ্যাসেম্বলি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানায় দলটি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হবে বৈষম্যহীন, স্বচ্ছ ও মানবিক রাষ্ট্র; যেখানে বিভাজন নয়, বরং আশা, নিরাময় ও ঐক্যই হবে রাজনীতির মূল ভিত্তি।