ফরিদপুর (ভাঙ্গা) প্রতিনিধি: ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় একটি বিয়ে বাড়িতে মাংসের ডিশ লুকিয়ে রাখাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর।
সোমবার (৮ জুন) বিকেলে উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের দেওড়া পশ্চিমপাড়া বটতলা গ্রামের বাসিন্দা লাবলু শেখের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠানে এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহতদের মধ্যে সোহরাব মাতুব্বর ও তার স্ত্রী মমতাজ বেগমকে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া আরিফ মাতুব্বরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয়রা জানান, লাবলু শেখের মেয়ের বিয়েকে ঘিরে বাড়িতে নিমন্ত্রিত অতিথি ও বরপক্ষকে আপ্যায়নের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়। বরপক্ষ আসার আগে গ্রামের নিমন্ত্রিত অতিথিদের খাবার পরিবেশন চলাকালে কয়েকজন যুবক টেবিলে বসে খাবার খাওয়ার সময় মাংসের একটি ডিশ পায়ের নিচে লুকিয়ে রাখেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাদের সঙ্গে খাবার পরিবেশনকারী দল ও বিয়ে বাড়ির লোকজনের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এ সময় খাবারের থালা-বাসন ও গ্লাস ছোড়াছুড়ির পাশাপাশি টেবিল-চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। বরপক্ষের জন্য প্রস্তুত রাখা বিভিন্ন খাবারও নষ্ট হয়ে যায়।
এলাকার বাসিন্দা তৈয়ব আলী মাতুব্বর দাবি করেন, মাংসের ডিশ নিয়ে বিরোধের জেরে ইউনুস, হান্নান ও হযরত মাতুব্বরের নেতৃত্বে হামলার ঘটনা ঘটে। পরে দুই পক্ষের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় অন্তত ২০ জন আহত হন।
ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, বিষয়টি এখনো পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রিপোর্টার্স২৪/ মিতু